bgg999 ভিআইপি – শুধু বোনাস নয়, একটা পুরো অভিজ্ঞতা

অনেক বেটিং সাইটে ভিআইপি প্রোগ্রাম আছে, কিন্তু সেগুলোর বেশিরভাগই কাগজে কলমে ভালো দেখায়। আসলে সেখানে এত বেশি বেটিং করতে হয় যে সাধারণ বেটরদের নাগালেই পড়ে না। bgg999-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম ভিন্নভাবে ডিজাইন করা – এখানে মাসে মাত্র ৫,০০০ টাকার বেটিং করলেই ব্রোঞ্জ স্তর পাওয়া যায়। মানে নিয়মিত বেটরদের জন্যও এই সুবিধাগুলো বাস্তব।

ভিআইপি প্রোগ্রামের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ক্যাশব্যাক। সপ্তাহে যত টাকা নেট হারবেন, তার একটা অংশ ফিরে পাবেন। ধরুন সপ্তাহে ৫,০০০ টাকা হারলেন। ব্রোঞ্জ স্তরে ১০% ক্যাশব্যাক মানে ৫০০ টাকা ফেরত। গোল্ডে ১২% মানে ৬০০ টাকা। ডায়মন্ডে ১৫% মানে ৭৫০ টাকা – এবং সীমা ছাড়াই। বছরে হিসাব করলে এটা বড় পার্থক্য তৈরি করে।

ক্যাশব্যাক কীভাবে কাজ করে – বিস্তারিত

bgg999-এ ভিআইপি ক্যাশব্যাক প্রতি সোমবার সকালে হিসাব হয়। আগের সোমবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সময়কালে মোট জেতা টাকা বাদ দিয়ে মোট হারা টাকা হলো নেট লস। সেই নেট লসের উপর স্তর অনুযায়ী শতাংশ হিসাব করে ক্যাশব্যাক দেওয়া হয়।

গোল্ড স্তরের উপর থেকে এই ক্যাশব্যাক সরাসরি ক্যাশ হিসেবে আসে – বোনাস ক্রেডিট নয়। মানে কোনো ওয়েজার ছাড়াই তুলতে পারবেন। এই একটা কারণেই অনেকে বলেন bgg999-এর ভিআইপি ক্যাশব্যাক বাজারের সেরা। কিছু সাইটে ক্যাশব্যাক দেয় ঠিকই, কিন্তু সেটা বোনাস হিসেবে দেওয়া হয় যেখানে আবার ওয়েজার করতে হয়।

ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার – আসলেই কাজের

গোল্ড ও তার উপরের স্তরে আপনার জন্য একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার থাকবেন যার সাথে সরাসরি টেলিগ্রামে বা ইমেইলে যোগাযোগ করা যাবে। কোনো পেমেন্ট আটকে গেলে, বোনাস নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে, বা কাস্টম অফার চাইলে – সরাসরি ম্যানেজারকে বললেই হয়। সাধারণ লাইভ চ্যাটের কিউতে অপেক্ষা করতে হয় না।

প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড স্তরে এই ম্যানেজার ২৪/৭ পাওয়া যান। রাত তিনটায় বড় ম্যাচ হচ্ছে আর কোনো সমস্যা হয়েছে – ম্যানেজার তখনো সাড়া দেবেন। বাংলাদেশে অনেক ভিআইপি সদস্য বলেন এই পার্সোনাল ম্যানেজার সুবিধাটাই তাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।

পয়েন্ট সিস্টেম – যত বেটিং, তত দ্রুত উপরে

bgg999-এ ভিআইপি পয়েন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা হয়। স্পোর্টস বেটিংয়ে প্রতি ১০০ টাকার বেটে ১ পয়েন্ট, ক্যাসিনোতে প্রতি ৫০ টাকায় ১ পয়েন্ট। জেতা বা হারা যাই হোক, বেট করলেই পয়েন্ট পাবেন। মাসের শেষে মোট পয়েন্ট বা মোট বেটিং ভলিউম – যেটা বেশি হয় সেটা দিয়ে স্তর নির্ধারিত হয়।

একবার কোনো স্তরে পৌঁছালে সেই মাসের পুরোটা সেই সুবিধা পাবেন। পরের মাসে যদি একটু কম বেটিং হয় তাহলে স্তর নামতে পারে। তবে ডায়মন্ড স্তরে পৌঁছানো সদস্যদের জন্য একটা গ্রেস পিরিয়ড আছে – একটানা তিন মাস কম সক্রিয় থাকলে তবেই স্তর পরিবর্তন হয়।

bgg999

ডায়মন্ড স্তর – bgg999-এর সেরা অভিজ্ঞতা

ডায়মন্ড ভিআইপি মানে bgg999-এ সর্বোচ্চ স্তরের পরিষেবা। এই স্তরে যারা পৌঁছান তাদের প্রতি মাসে নির্দিষ্ট কাস্টম বোনাস অফার দেওয়া হয় যেটা তাদের বেটিং প্যাটার্ন বুঝে তৈরি করা হয়। কেউ ক্রিকেটে বেশি বেটিং করেন, কেউ ফুটবলে – তাদের পছন্দ অনুযায়ী অফার আসে।

এছাড়া বড় ইভেন্টের সময় ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য আলাদা টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয় যেখানে প্রাইজ পুলও বড়। bgg999-এ ডায়মন্ড স্তরের সদস্যরা নিজেদের একটা আলাদা কমিউনিটি বলে মনে করেন – কারণ সুবিধাগুলো সত্যিই সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি।

ভিআইপি হওয়া কি কঠিন?

আসলে না। মাসে মাত্র ৳৫,০০০ বেটিং করলে ব্রোঞ্জ পাওয়া যায়। প্রতিদিন গড়ে ১৭০ টাকার বেট করলেই হলো। যারা ক্রিকেট বা ফুটবলে নিয়মিত ছোট ছোট বেট করেন তাদের জন্য এটা স্বাভাবিকভাবেই হয়ে যায়। সিলভারের জন্য মাসে ৳২০,০০০ – প্রতিদিন গড়ে ৬৭০ টাকা। নিয়মিত বেটরদের জন্য এটাও অস্বাভাবিক নয়।

তাছাড়া bgg999 মাঝে মাঝে বিশেষ পয়েন্ট বুস্ট ইভেন্ট করে যেখানে নির্দিষ্ট খেলায় বা নির্দিষ্ট সময়ে বেটিং করলে দ্বিগুণ পয়েন্ট পাওয়া যায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত পরবর্তী স্তরে পৌঁছানো সম্ভব।

ভিআইপি সদস্যদের জন্য বিশেষ পেমেন্ট সুবিধা

সাধারণ সদস্যরা দৈনিক সর্বোচ্চ নির্দিষ্ট পরিমাণ উইথড্রল করতে পারেন। ভিআইপি স্তর বাড়ার সাথে সাথে এই লিমিটও বাড়ে। ডায়মন্ড স্তরে দৈনিক উইথড্রল লিমিট সাধারণ সদস্যের পাঁচগুণ পর্যন্ত হতে পারে। বড় জয়ের পরে পুরো টাকা দ্রুত তুলতে পারা একটা বড় সুবিধা।

এছাড়া ভিআইপি সদস্যদের ডিপোজিট প্রসেসেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বড় টুর্নামেন্টের সময় পেমেন্ট গেটওয়েতে চাপ বেশি থাকলে সাধারণ সদস্যদের ডিপোজিট একটু দেরি হতে পারে, কিন্তু ভিআইপি সদস্যদের সেটা হয় না।